সোমবার, ১৯ নভেম্বর, ২০১৮

হিমুর শুত্রবারের দিনলিপি


পৃথিবী বিনাশ হচ্ছে !
আমার উপরে একটা উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন বোমা ফালানো হলো। হকচকিয়ে ঘুম থেকে উঠলাম। নাহ, পৃথিবী সুরক্ষিত। কিন্তু সমস্যা একটাই হিমু অসুরক্ষিত। সামনে মা এবং তার মুখের সেই পবিত্র বাণী। যে বাণী পৃথিবীর সকল মায়েদের জন্য বলা ফরজ,"সারাদিন ঘুমানো লাগে? " মোবাইলে দেখলাম ১০ টা ০২ বাজে। তারাতারি ব্রাশ করে নাস্তা করলাম। মোবাইল ধরা মাত্র মা মোবাইলটা বাজ পাখির ন্যায় ছো মেরে নিলো। "কাজ আছে"। আমি বললাম, কি কাজ? "সারদিন খাও আর ঘুমাও তো তাই কিছু জানো না,বাসায় প্রচুর কাজ,আমাকে সাহায্য কর"। আমি কি মেয়ে? (মনে মনে বললাম, জোরে বললে মাইর খাওয়ার সম্ভাবনা প্রচুর)। কাজ করতে করতে হটাৎ মসজিদে ডাক দিলো : "আজ পবিত্র শুক্রবার, আপনারা সবাই নামায পড়তে আসুন"। নামাযের কথা বলে মার থেকে ছাড়া পেলাম। গোসল করলাম। আজ হিমু গল্পের সেই হলুদ পান্জাবি পড়বে না। হিমু তো আজ আধুনিক,সাদার মধ্য বিভিন্ন রকম উদ্ধট রেক দেওয়া পান্জাবিটা পড়লাম। নামায পড়তে শেষ কাতারে দাড়াতে হলো। ইদানিং সাজেক ঘুরতে আসা পর্যাটকদের কারণে মসজিদে জায়গা হয় না। নামায শেষ, মুনাজাত হলো। সবাই চলেও গেলো। হিমুর মনে গভির সন্দেহ,তবে কি আজ মসজিদে সিন্নি দিবে না? মোল্লাকে জিগ্গাসা করতেই ছোটলোক বলে গালি দিলো। আমার বোঝে আসেনা সিন্নির কথা জিগ্গেস করতেই মোল্লা আমাকে ছোটলোক কেনো বললো,যাই হোক বাসায় আসলাম,আজ মন ভালো নেই তাই আর ভাত খাবো না। বিছানায় শুয়ে পরলাম। ঘুম থেকে উঠে দেখি সন্ধ্যা ৬ টা বাজে,মা চা খাওয়ার জন্য ডাকলো। শুনেছি বড় বড় সাহিত্যিকরা নাকি কফি খেতেন আর সাহিত্য রচনা করতেন,কতটুকু সত্য তা অজানা। তাই গরিবের কফি খাচ্ছি আর লিখতেছি। এখানেই সমাপ্ত। ঘুমাবো।

মঙ্গলবার, ৪ সেপ্টেম্বর, ২০১৮

অতীত


যদি অতীতে ফিরে যাওয়া যেত । সবাই হয়তো প্রেমিক বা প্রেমিকার সাথে সাথে ভূল বোঝাবুঝি ঠিক করে নিতো । কিন্তু আমি অতীতে গেলে চলে যেতাম সেই কম্পিউটারে ভাইস সিটি (vice city) গেমস খেলার দিনগুলোতে ।  যেখানে ছিলোনা কোনো পড়ালেখার চাপ,ছিলোনা কোনো মানসিক চাপ । শুধু ছিলো কিবোর্ডে দ্রুত লেখার প্রতিযোগিতা Nuttertuls বা Panzer ।   আমার অতীতে গেমস ছাড়া আর কিছু দেখতে পাই না,যা দেখতে পাই তা বিছানায় প্রশ্রাব বা প্রাইমারির দিনগুলি । যেখানে ছেলে বন্ধু ও মেয়ে বন্ধুদের সাথে একসাথে বউছি বা গোল্লাছুট খেলা হতো । তখন ছিলোনা কোনো ছেলে মেয়ের ভেদাভেদ । বর্তমানে তো মেয়ে বন্ধুদের ডাক তেও ভয় হয়,এই বুঝি মেরে দিলো থাপ্পর । তাই আমি লাজুক ।  কারণ আমি থাপ্পর খেতে চাই নাহ ।

ফেসবুকে আমি

বৃহস্পতিবার, ৮ মার্চ, ২০১৮

অপরূপ সাজেক,,!






সত্যি অপরূপ সাজেক,,মধুর সব গল্প । ফেসবুকে ছবি

সাথে বড় ভাই সোহান, বাবু ভাই, আন্টি, আপু😜

বৃহস্পতিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী, ২০১৮

অদ্ভুত,,!




রাস্তা বাসার পাশে হওয়ায়,,যখন ইচ্ছা তখন রাস্তার উপর চলন্ত দু পায়ে জানোয়ার গুলোকে দেখে আনন্দ পাই,,😁
পেছন থেকে বোন ডাক দিলো,,!
: ভাইয়া কি দেখো,,?
: না ওইযে ইস্কুলে যাইতেছে শুয়ার গুলা ওদের হাতে বাঁশ কেনো,,?
: ওরা স্যার দের বাঁশ দিতে যাইতাছে,,
: কি বুঝলাম না,, স্যার দের বাঁশ,,!
: না মানে আজকে চারুকারু পরিক্ষা তো তাই,,
: ওহ আমি আরো অন্য কিছু ভাবতে ছিলাম,,!😑
আমি দিন দিন নেগেটিভ হইয়া যাইতেছি,, সব কিছু নেগেটিভ ভাবি,,🐸🐸
#সার্কাজম

বুধবার, ১৭ জানুয়ারী, ২০১৮

ভালোবাসার আত্নকাহিনী



ভোর সকালে,
হাড় কাঁপানো শীতের মধ্যে প্রিয়জনের বাড়ির সামনে গেলাম,,😘
শীঁষ ও দিলাম,,কেউ বের হলোনা,,!
অতঃপর ঢিল দিলাম,,!
আমার শরীরে এখন কিচ্ছু নাই,,শুধু পেন্ট ছাড়া,,😁গরমে অবস্থা খারাপ,,!
ঢিল দেওয়ার পর বাসা থেকে কুকুর বের হইছিলো,,
বাহহ,ভালো লাগছে, খুব ভালো লাগছে,,
সকালের জগিংটা হয়ে গেলো,,
প্রিয়তমা,,তোমার বাসার কুকুর টাও আমাকে কতো ভালোবাসে,,
Love u প্রিয়তমা 😍😘

বি দ্র : সব কাল্পনিক । 

বিদায়ী ইতিহাস



ভাবতেছি,, বিদায় অনুষ্ঠানের দিন ফুলের দোকানে গিয়ে পাঁচটা গোলাপ কিনবো,,
পাঁচটি গোলাপ সুসজ্জিত থাকবে পাঁচটি মেয়ের পকেটে,,😁সবগুলো মেয়ের নাম্বার নিবো,,
কথা বলে প্রেমের ফাঁদে ফালাবো,,একদিন সুযোগ বুঝে সবাইকে একসাথে "ছেকা" দিবো,,
কথাটা ভেবেই কেমন যেনো আনন্দ বোধ করছি,,
কেউ কিন্তু আবার আমাকে লুচু বলোনা,,
এখনি তো সময়,,! 
এখন না হলে কখন,,?!😁😁

বি দ্র ঃ আমার ফেসবুক আইডি Fizz ur Rahnen থেকে নেওয়া ।